বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
মহান আল্লাহ সুবহানাওতায়ালা প্রদত্ত আমাদের এই মূল্যবান জীবনের (আয়ুস্কালকে)কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে তৈরি কিছু আমলের তালিকাঃ
গুরুত্বপূর্ণ আমল
| আমল-১ |
| |
| ওজুর করার পর কালেমা শাহাদাত (আশহাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারী কা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসুলুহু) পাঠ করা এতে জান্নাতের ৮ টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।সহিহ মুসলিম, হাদিস নং-২৩৪। |
| |
| আমল-২ |
| |
| (রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে মুসলমান সুন্দররুপে অজু করে তারপর দাঁড়িয়ে দেহ ও মনকে পুরোপুরি তার প্রতি নিবদ্ধ রেখে দুই রাকআত নামাজ আদায় করে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।” - (সহিহ মুসলিমঃ ২৩৪, আবু দাউদঃ৩০৪) ওযুর পরে দুই রাকাত নফল নামাযের এতই সাওয়াব! আলহামুদুলিল্লাহ! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জান্নাতে বেলাল রাঃ এর পদধ্বনি শুনে এসেছেন, যিনি নিয়মিত এই নামায পড়তেন)। |
| |
| আমল-৩ |
| |
| প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি (আল্লাহু লা — -ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যূল কাইয়্যূম, লা তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম, লাহু মা-ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্ব, মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদা — -হূ ইল্লা বিইযনিহ, ইয়া‘লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খলফাহুম, ওয়ালা ইয়ুহীতূনা বিশাইইম মিন্ ইলমি — -হী ইল্লা বিমা শা — — আ, ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব, ওয়ালা ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা, ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যূল ‘আযী-ম। (সূরা আল বাক্বারাহ -আয়াত নং ২৫৫)) পাঠ করাএতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন। সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৯৭২। |
| |
| আমল-৪ |
| |
| প্রতিদিন ১০০ বার সুবহান আল্লাহ্ পাঠ করলে ১০০০ সাওয়াব লিখা হয় এবং ১০০০ গুনাহ মাফ করা হয় । [সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৩] |
| |
| আমল-৫ |
| |
| যে ব্যক্তি প্রতিদিন ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমান (সগীরা) গুনাহ থাকলেও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। [সহীহ আল-বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭১] |
| |
| আমল-৬ |
| |
| ঘুমের আগে ওযু + আয়াতুল কুরসীঃ (রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন তুমি তোমার শয্যা গ্রহণের ইচ্ছা করবে, তখন সালাতের ন্যায় অজু করে ডান কাত হয়ে শয়ন করবে।’ (বুখারি ও মুসলিম) যে ব্যক্তি পবিত্রাবস্থায় (অজু অবস্থায়) ঘুমায় তার সাথে একজন ফেরেশতা নিয়োজিত থাকে। অতঃপর সে ব্যক্তি ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার সাথে সাথেই আল্লাহ্র সমীপে ফেরেশতাটি প্রার্থনায় বলে থাকে, হে আল্লাহ্! তোমার এ বান্দাকে ক্ষমা করে দাও, কেননা সে পবিত্রাবস্থায় ঘুমিয়েছিল।’ (সহীহ ইবনে হিব্বান) |
| |
| আমল-৭ |
| |
| রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি রাতে যখন ঘুমাতে যেতেন, তখন নিজের উভয় হাত এক সঙ্গে মিলাতেন। তারপর উভয় হাতে ফুঁক দিতেন এবং সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস পড়তেন। তারপর দেহের যতটুকু অংশ সম্ভব হাত বুলিয়ে নিতেন। তিনি মাথা, মুখমণ্ডল ও শরীরের সামনের অংশ থেকে শুরু করতেন। তিনি এরূপ তিনবার করতেন। -সহিহ বুখারি ৫০১৭, সুনানে আবু দাউদঃ ৫০৫৮ |
| |
| আমল-৮ |
| |
| সুরা মূলকঃ (রাতে ঘুমানোর আগে) (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ " কোরআন শরীফে ৩০ আয়াত বিশিষ্ট একটি সূরা আছে, যা তার তেলাওয়াতকারীকে ক্ষমা করে না দেয়া পর্যন্ত তার জন্য সুপারিশ করতেই থাকবে।” (আবু দাউদ-১৪০২, তিরমিজি-২৮৯১; সুরাটি হলো সুরা মূলক, যেটা রাসূল(সঃ) ঘুমানোর আগে কখনোই বাদ দিতেন না। |
| |

Have a question or suggestion? Drop a comment below!
We reply to every genuine comment.
(No spam or links please — they will be removed.)